| |

Ad

ভাঙ্গায় হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাঁসির আদেশ

আপডেটঃ ৫:৫৪ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১০, ২০১৯

ভাঙ্গা সয়ংবাদদাতা : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পিকআপ ভ্যান চালক কেরামত হাওলাদার (৩৫) কে হত্যা মামলার রায়ে ৭ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। 
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুর জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সেলিম মিয়া এ আদেশ দেন।
ফাঁসি দন্ডপ্রাপ্তরা হল- উপজেলার চান্দ্র ইউনিয়নের চান্দ্রা গ্রামের মৃত্যু আব্দুল মোল্লার পুত্র তোফা মোল্লা(৩০), আব্দুল মান্নানের পুত্র পলাশ ফকির(৩৫), সামচুল হক খালাসীর পুত্র সিদ্দিক খালাসী(৪০), আব্দূল মালেক মাতুব্বারের পুত্র এরশাদ মাতুব্বার(৪০), মৃত্যু আব্দূল মালেক মাতুব্বারের পুত্র নাঈম মাতুব্বার(৩৫), গিয়াসউদ্দিনের পুত্র আনোয়ার ওরফে আনু মোল্লা(৩০) ও মৃত্যু মসলেম খাঁর পুত্র সিরাজুল খাঁ (৩০) ।
রায় ঘোষনার সময়ে ৭ আসামীর মধ্যে ৫ জন আসামী উপস্থিত ছিল। এদের মধ্যে আসামী নাঈম মাতুব্বার ও সুরুজ ওরফে সিরাজুল খাঁ পলাতক রয়েছেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (ভারপ্রাপ্ত) দুলাল চন্দ্র সরকার সুত্রে জানা যায়,  গত ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে বাড়ি যাওয়ার সময়ে উত্তর লোহাড়দিয়া গ্রামের পিকআপ ভ্যান চালক কেরামত হাওলাদার(৩৫) নিখোঁজ হন। পরদিন পাশ্ববর্তী দীঘলকান্দা বিলের মধ্যে পুকুর থেকে ঐ পিকাপ চালকের গলা ও পেটকাটা মরদেহ উদ্ধার করে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। 
এরপর কেরামতের স্বজনেরা লাশ সনাক্ত করে। এঘটনার পর কেরামতের ভাই একরাম হাওলাদার বাদী হয়ে রাতে ভাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঐ সময়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিরাজ মোবাইল কললিষ্টের সুত্র ধরে তোফা মোল্লাকে তার বাড়ি থেকে তাকে আটক করে। তোফাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসার পর সে হত্যা করার কথা এবং এঘটনার সাথে জড়িত সকলের নাম প্রকাশ করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একে একে পুলিশ সকল আসামীকে আটক করতে সক্ষম হয়। 
পরের বছর ৭ জন আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট বা অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলাটি দীর্ঘ শুনানী ও সাক্ষ্য গ্রহনের পর বৃহস্পতিবার আদালত এ রায় ঘোষনা করেন। রায় শোনার পর আসামী ও তার স্বজনের কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। পরে পুলিশ আসামীদের জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।