| |

Ad

বহিষ্কার হলো শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থী

আপডেটঃ ৫:০৩ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৯

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস রুমের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় ৬ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিস্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন-ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রোনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র হাবিবুল্লা নিয়ন, মো. রাশেদ হাসান, মুনিম ইসলাম হীরা, ঝিলাম হালদার, ফাহমিদা বৃষ্টি ও দেবব্রত রায়। 
এরমধ্যে হাবিবুল্লা নিয়নকে দুই সেমিস্টারের জন্য অর্থাৎ এক বছরের জন্য এবং বাকী ৫ শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টারের জন্য বহিস্কার করা হয়েছে। এর সবাই একই বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রফেসর ড. নুরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত ৪ সেপ্টেম্বরের বহিস্কার আদেশ, স্মারকনং-বশেমুরবিপ্রবি/ব/একা/৪১/৮৭৮(১০) সূত্রে জানাগেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রোনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষ (২০১৬-১৭) এর ছাত্র  হাবিবুল্লা নিয়ন বিভাগীয় ক্লাসরুম ১০৩ এর পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখি করে। এই লেখালেখিতে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের  ভাবমূর্তি নষ্ট না হয় এই মর্মে বিভাগীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. বিলাস কান্তি বালা শিক্ষার্থীদের সতর্ক করেন। তা উপেক্ষা করে শিক্ষর্থীরা ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাস দেয়। এই প্রেক্ষিতে নিয়ন এবং তার কতিপয় সহযোগি কিছু অপ্রীতিকর মন্তব্য লেখে যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে এবং বিভাগের চেয়ারম্যানকে নিয়েও আপত্তিজনক মন্তব্য করেছে যা শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং গর্হিত কাজ। এমন গর্হিত কাজের জন্য এ সংক্রান্ত ঘটনা তদন্তের জন্য বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশ অনুসারে ৬ শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হলো। 
এ ব্যাপরে ওই বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. বিলাস কান্তি বালার সাথে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার নুরউদ্দিন আহমেদের সাথে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের কথা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সাথে তাদের আপত্তিকর ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে আলোচনা করেই বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা ওই ৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করে চিঠি ইস্যু করে আমাকে দিয়ে স্বাক্ষর করিয়েছেন। এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত কিছুই জানি না। 
অন্যদিকে, শাস্তি পাওয়া শির্ক্ষার্থীরা এব্যাপারে সাংবাদিকদেরে কাছে মুখ খুলতে রাজী হয়নি। শুধু বলেছেন, তারা সময় সুযোগ মতো কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেবেন।